ডাউকি সোনাংপেডাং উমগট_নদী ভ্রমণ
হাওয়ায় নৌকা ভাসে কথাটি উমগট নদীর জন্য খুবই যথার্থ!
মেঘালয়ের ডাউকি,শিলং,চেরাপুঞ্জি জুন মাসেই একবার ভ্রমণ করেছি। এবার শুধুমাত্র স্বচ্ছ-পরিষ্কার উমগট নদীর পানি দেখার উদ্দেশ্যেই মেঘালয় যাই,কেননা শীতের সময়েই পানির এই রুপ পাওয়া যায়। এত স্বচ্ছ পানি দেখলে যে কেউ মুগ্ধ হতে বাধ্য। এজন্যই এই নদীটি ক্রিস্টাল ক্লিয়ার ওয়াটার, লাইভ একুরিয়াম নামে পরিচিত। উমগট নদীকে ভারতের অন্যতম স্বচ্ছ ও সুন্দর নদীও বলা হয়।
কিভাবে যাবেন: আমরা প্রথমেই সিলেটের তামাবিল ও ডাউকি বর্ডারে ইমিগ্রেশন শেষ করে ১৫ মিনিট পায়ে হেটে ডাউকি ব্রিজের কাছে চলে যাই। জাফলং থেকে মেঘালয়ের এই ব্রিজটিই দেখা যায়। সেখানে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে ডাউকি বাজার এসে একটি ট্যাক্সি ভাড়া করে সোনাংপেডাং চলে যাই। সোনাংপেডাং এর সাসপেনশন ব্রিজ, নদীর চারপাশে ঘুরাঘুরি করে উমগট নদীতে বোটিং করি, এখানে গেলে সবাই বোটিং টা অবশ্যই করবেন। রাতে টেন্টে ক্যাম্পিং করি,ক্যাম্প-ফায়ার করি যেটা ছিল একটি অসাধারণ অভিজ্ঞতা। পরেরদিনও খুবই রিলাক্সে সোনাংপেডাং এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করি। এরপর সোনাংপেডাং থেকে বর্ডার পর্যন্ত ৮ কিলো পথ আমরা ইচ্ছে করেই পায়ে হেটে সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে যাই এবং বর্ডার ক্রস করি।
খরচের হিসাব:
ট্রাভেল ট্যাক্স:৫০০
কল্যাণপুর-সিলেট বাস:৪৭০
সিলেট-তামাবিল:১০০
সকালের নাস্তা:৩৫
বর্ডার টিপস: কোনো টাকা চায়নি আমার কাছে
ডাউকি বাজারে লাঞ্চ: ৯০ রুপি
ডাউকি-সোনাংপেডাং ট্যাক্সি ভাড়া: ২০০রুপি/৪=৫০রুপি
এন্ট্রি:৪০ রুপি/৪=১০ রুপি
বোটিং: ৫৫০ রুপি/৩=১৮৫ রুপি
ডিনার: ৬০ রুপি( হালকা খাবার খেয়েছি। এমনিতে চিকেন থালি ১৫০রুপি,ভেজ থালি১২০ রুপি)
টেন্ট ভাড়া: ২ টেন্ট ১০০০ রুপি/৪=২৫০ রুপি
#দ্বিতীয় দিন ব্রেকফার্স্ট : ৫০ রুপি
লাঞ্চ:১৫০ রুপি
সোনাংপেডাং- বর্ডার: পায়ে হেটে যাই আমরা। ট্যাক্সি রিজার্ভ করলে ২০০-৩০০ রুপি নিবে।
ভারতে টোটাল:৮৪৫ রুপি=১০৪৫ টাকা
তামাবিল-সিলেট:সিএনজি ভাড়া ৬০০টাকা/৪=১৫০টাকা
রাতের খাবার:৩০টাকা(হালকা খাবার)
সিলেট -ঢাকা বাস:৪৭০
টোটাল খরচ:বাংলাদেশে ১৭৫৫ +ভারতে ১০৪৫= ২৮০০ টাকা
মিনিমাম৪/৬/১০ এইরকম টিম সাইজ করে যাবেন
বিঃ দ্রঃ যেখানে সেখানে ময়লা ফেলে পরিবেশ নষ্ট করবেন না,আর স্থানীয় লোকজনদের সাথে ভালো ব্যবহার করুন তাহলে তাদের নিকট থেকে অনেক সহযোগীতা পাবেন ।
হাওয়ায় নৌকা ভাসে কথাটি উমগট নদীর জন্য খুবই যথার্থ!
মেঘালয়ের ডাউকি,শিলং,চেরাপুঞ্জি জুন মাসেই একবার ভ্রমণ করেছি। এবার শুধুমাত্র স্বচ্ছ-পরিষ্কার উমগট নদীর পানি দেখার উদ্দেশ্যেই মেঘালয় যাই,কেননা শীতের সময়েই পানির এই রুপ পাওয়া যায়। এত স্বচ্ছ পানি দেখলে যে কেউ মুগ্ধ হতে বাধ্য। এজন্যই এই নদীটি ক্রিস্টাল ক্লিয়ার ওয়াটার, লাইভ একুরিয়াম নামে পরিচিত। উমগট নদীকে ভারতের অন্যতম স্বচ্ছ ও সুন্দর নদীও বলা হয়।
কিভাবে যাবেন: আমরা প্রথমেই সিলেটের তামাবিল ও ডাউকি বর্ডারে ইমিগ্রেশন শেষ করে ১৫ মিনিট পায়ে হেটে ডাউকি ব্রিজের কাছে চলে যাই। জাফলং থেকে মেঘালয়ের এই ব্রিজটিই দেখা যায়। সেখানে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে ডাউকি বাজার এসে একটি ট্যাক্সি ভাড়া করে সোনাংপেডাং চলে যাই। সোনাংপেডাং এর সাসপেনশন ব্রিজ, নদীর চারপাশে ঘুরাঘুরি করে উমগট নদীতে বোটিং করি, এখানে গেলে সবাই বোটিং টা অবশ্যই করবেন। রাতে টেন্টে ক্যাম্পিং করি,ক্যাম্প-ফায়ার করি যেটা ছিল একটি অসাধারণ অভিজ্ঞতা। পরেরদিনও খুবই রিলাক্সে সোনাংপেডাং এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করি। এরপর সোনাংপেডাং থেকে বর্ডার পর্যন্ত ৮ কিলো পথ আমরা ইচ্ছে করেই পায়ে হেটে সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে যাই এবং বর্ডার ক্রস করি।
খরচের হিসাব:
ট্রাভেল ট্যাক্স:৫০০
কল্যাণপুর-সিলেট বাস:৪৭০
সিলেট-তামাবিল:১০০
সকালের নাস্তা:৩৫
বর্ডার টিপস: কোনো টাকা চায়নি আমার কাছে
ডাউকি বাজারে লাঞ্চ: ৯০ রুপি
ডাউকি-সোনাংপেডাং ট্যাক্সি ভাড়া: ২০০রুপি/৪=৫০রুপি
এন্ট্রি:৪০ রুপি/৪=১০ রুপি
বোটিং: ৫৫০ রুপি/৩=১৮৫ রুপি
ডিনার: ৬০ রুপি( হালকা খাবার খেয়েছি। এমনিতে চিকেন থালি ১৫০রুপি,ভেজ থালি১২০ রুপি)
টেন্ট ভাড়া: ২ টেন্ট ১০০০ রুপি/৪=২৫০ রুপি
#দ্বিতীয় দিন ব্রেকফার্স্ট : ৫০ রুপি
লাঞ্চ:১৫০ রুপি
সোনাংপেডাং- বর্ডার: পায়ে হেটে যাই আমরা। ট্যাক্সি রিজার্ভ করলে ২০০-৩০০ রুপি নিবে।
ভারতে টোটাল:৮৪৫ রুপি=১০৪৫ টাকা
তামাবিল-সিলেট:সিএনজি ভাড়া ৬০০টাকা/৪=১৫০টাকা
রাতের খাবার:৩০টাকা(হালকা খাবার)
সিলেট -ঢাকা বাস:৪৭০
টোটাল খরচ:বাংলাদেশে ১৭৫৫ +ভারতে ১০৪৫= ২৮০০ টাকা
মিনিমাম৪/৬/১০ এইরকম টিম সাইজ করে যাবেন
বিঃ দ্রঃ যেখানে সেখানে ময়লা ফেলে পরিবেশ নষ্ট করবেন না,আর স্থানীয় লোকজনদের সাথে ভালো ব্যবহার করুন তাহলে তাদের নিকট থেকে অনেক সহযোগীতা পাবেন ।


Beautiful place traveler girl 😍
ReplyDeletethanks and supporting me
ReplyDelete